> VaraBari.com, Author at Hacked by !hR V1Ru5

Archives

Posted by on

বাড়িভাড়া নেবার সময় যেসব বিষয় লক্ষ্য রাখবেন

বাসা বা অফিস ভাড়া নেওয়ার পুর্বে বাড়ির মালিক ও ভাড়াটিয়ার মধ্যে কিছু করণীয় কাজ রয়েছে, যা ভাড়া নেওয়ার পুর্বে সেরে রাখলে পরে কোন সমস্যায় পড়তে হয় না । নিচে কিছু করণীয় দিক তুলে ধরা হল :

 

১) বাড়িভাড়া নেয়ার সময় মাসিক ভাড়া, অগ্রিম ভাড়া ও কোন সার্ভিস চার্জ আছে কিনা তা জেনে নিবেন। ভাড়া প্রদানের শেষ সময় জেনে নিবেন।

২) অনেকে অগ্রিম ভাড়া শুরুর মাস হতে পরবর্তী মাস গুলোর জন্য নির্দিষ্ট হারে ভাড়া হিসেবে অগ্রিম ভাড়া কেটে রাখতে পারেন আবার জামানত হিসেবে রেখে দিতে পারেন যা পরবর্তীতে ফেরৎযোগ্য। বাসা ভাড়া নেবার সময় এই বিষয়ে বাড়িওয়ালার সাথে কথা বলে নেয়া ভালো।

৩) রাতে মেইন গেট বন্ধ হবার সময় জেনে নিবেন। যদি দেখেন কাজের কারণে সময়ের পূর্বে আপনার আসতে দেরি হবে তাহলে এই নিয়ে বাড়িওয়ালার সাথে কথা বলুন। প্রয়োজনে মূল গেটের চাবি নিয়ে নিন।

৪) আমাদের দেশের বেশিরভাগ বাড়িতে পানির মটর নির্দিষ্ট সময় মেনে ছাড়া হয়। তাই বাড়ি ভাড়া নেয়ার সময় মটর ছাড়ার সময় জেনে নিবেন।

৫) বিদ্যুতের মিটার রিডিং : নতুন বাসা বা অফিসে উঠার পূর্বে বৈদ্যতিক মিটারের বর্তমান রিড়িং এর পরিমাণ পরবর্তী মাসের বিদ্যুৎ বিল হিসেবের জন্য বাড়ির মালিক ও ভাড়াটিয়া উভয়ই লিখে রাখবেন

৬) পানি ও গ্যাস বিলের পদ্ধতি জেনে নিবেন। অনেক সময় বাড়ি ভাড়া বাইরে আলাদা পানি ও গ্যাস বিল দিতে হয় না।

৭) ভাড়া নেয়ার সময় ফ্লাটের ফিটিংস দেখে নিবেন। অনেক সময় ফ্ল্যাটের পানির কল, সুইচে সমস্যা থাকতে পারে বা জানালার গ্লাস ভাঙ্গা থাকতে পারে। এসব বিষয় দেখে নিবেন এবং বাড়ির মালিককে এগুলো ঠিক করে দিতে অনুরোধ করবেন

৮) গ্রিজার, দারোয়ান, গ্যারেজ, ময়লা ফেলার জায়গা ইত্যাদি সম্পকে জেনে নিবেন।

৯) সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাড়ির আসেপাশের পরিবেশ সম্পর্কে জেনে নিবেন। বাড়ির পাশে যদি মাদকসেবীদের আড্ডা, শব্দ বা বায়ু দূষণ করে এমন কারখানা, ডাস্টবিন থাকলে তা আপনার জন্য সমস্যা সৃষ্টি করবে

১০) বাড়ির মালিক ও ভাড়াটিয়ার মধ্যে একটি চুক্তি নামা করতে হবে। যাতে থাকবে-

ক) চুক্তির/ভাড়ার মেয়াদ,
খ) বাড়ির মালিক ও ভাড়াটিয়ার নাম ,ঠিকানা, উভয় পক্ষের মোবাইল নাম্বার ,
গ) ভাড়ার নিয়মাবলী বা চুক্তির শর্ত সমূহ,
ঘ) ভাড়ার মুল্য বা টাকার পরিমাণ এবং প্রদানের শেষ তারিখ,
ঙ) সিকিউরিটি অর্থ / ডিপোজিট মানি

Posted by on

এসি ছাড়াই ঘর ঠাণ্ডা রাখার ১৩টি উপায়

আমাদের দেশে সবার এসি কেনার বা ব্যবহার করার সামর্থ্য নেই। আবার এসি যে ব্যবহার করবেন, বিদ্যুৎ তো থাকতে হবে, নাকি? সব মিলিয়ে মহা যন্ত্রণার একটি পরিস্থিতি। আসুন, আজ জেনে নেয়া যাক এমন কয়েকটি উপায় যাতে কিনা এসি ছাড়াই ঠাণ্ডা থাকবে আপনার ঘর।

১) দরজা জানালা বন্ধ ঘরে ফ্যান চালিয়েও কোনও লাভ নেই, কেননা তাতে গরম কমে না। গরম তখনই কমবে, যখন বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা থাকবে। বাতাস চলাচলের পথ থাকলে সামান্য বাতাসেই ঘরের আবহাওয়া অনেকটাই ঠাণ্ডা থাকবে। তাই দরজা, জানালা গুলো খুলে রাখুন। প্রয়োজনে পাতলা পর্দা টানিয়ে দিন সামনে।

২) দিনের বেলায়, বিশেষ করে মধ্য দুপুরের আগেই ঘরের দরজা জানালা বন্ধ করে দিন। সূর্য পাটে বসার পর আবার খুলে দিন। দুপুরের গরমটা ঘরে ঢুকতে না পারলে কম পক্ষে ২ থেকে ৩ ডিগ্রি তাপমাত্রা নেমে যাবে, অর্থাৎ ঠাণ্ডা থাকবে আপনার ঘর।

৩) জানালার কাঁচ গুলোয় সাদা রঙ করে দিন, কিংবা রোদ ঠেকাতে ব্যবহার করুন শেড। যদি দুটোর কোনটি করতে না চান, তাহলে স্কচ টেপ দিয়ে ধবধবে সাদা কাগজ সেঁটে দিন জানালার শার্সি গুলোয়। দেখবেন ঘর অনেকটাই ঠাণ্ডা থাকছে।

৪) বাসায় ছোট টেবিল ফ্যান থাকলে সেটাকে খোলা জানালার সামনে সেট করে ছেড়ে রাখুন। এই টেবিল ফ্যান বাইরে থেকে ঠাণ্ডা বাতাস টেনে আনবে ঘরে। দেখবেন ম্যাজিকের মতন ঘর ঠাণ্ডা হচ্ছে।

৫) ঠাণ্ডা পানি বা বরফের টুকরো নিন একটি বাটি বা গামলায়। তারপর তা রেখে দিন টেবিল বা স্ট্যান্ড ফ্যানের একদম সামনে। ব্যস, তৈরি আপনার বিদ্যুৎহীন এসি। টেবিল ফ্যান না থাকলে সিলিং ফ্যানের নিচে রাখলেও খারাপ হবে না। প্রাচীন কালে বাড়ি শীতল রাখতে বড় বড় মাটির পাত্র ভরে পানি রাখা হতো প্রতিটি ঘরে। এটা সেই পদ্ধতিরই আধুনিক সংস্করণ।

৬) গাঢ় রঙ আর ভারী কাপড়ের তৈরি পর্দা, বিছানার চাদর, বালিশের কাভার ইত্যাদি সব কিছুই তুলে রাখুন শীতের জন্য। গাঢ় রঙের এসবব সামগ্রীর ব্যবহারে দেখবেন গরম অনেকটাই বেশী লাগে, যেহেতু তাদের তাপ শোষণ ক্ষমতা অত্যধিক। যতটা সম্ভব হাল্কা রঙের পর্দা, বিছানার চাদর, বালিশের কাভার ব্যবহার করুন। সুতি কাপড় সব চাইতে উপযোগী।

৭) বাতাসে আদ্রর্তা থাকলে গরম অনেক বেশী লাগে। তাই ঘরের মাঝে আদ্রর্তা কম রাখতে হবে। বাইরে থেকে ফিরে ঘামে ভেজা জামা কাপড় শোবার ঘরে মেলে দিবেন না, ভেজা কাপড় ঘরের মাঝে শুকাবেন না। ভেজা কাপড়ের কারণে আদ্রর্তা বেড়ে যাবে ও অনেক বেশী গরম লাগবে।

8)ঘরে গাছপালা থাকলে সেগুলো অন্তত শোবার ঘর থেকে সরিয়ে রাখুন। এরা আদ্রর্তা বারায় ঘরের পরিবেশে। আবার রাতের বেলা গাছ গুলো কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গত করে। গাছেদের বারাব্দায় রাখুন। তাতে বাড়ির পরিবেশ শীতল রাখতে সহায়তা হবে, আবার গাছ গুলোও ভালো থাকবে।

৯) লাল-হলুদ রঙের আলো সব সময় গরম বাড়ায়। লক্ষ্য করে দেখবেন যে বেকারি গুলোতে খাবার গরম রাখতে, বা মুরগির বাচ্চাদের ওম দিতে বাল্বের লাল আলো ব্যবহৃত হয়। এই গ্রীষ্মে হলদে আলোর বাল্ব গুলো বদলে ফেলুন সাদা আলো দিয়ে। এনার্জি বাল্বে ঘর যেমন ঠাণ্ডা থাকবে, তেমনই খরচও বাঁচবে।

১০) অপ্রয়োজনীয় সমস্ত ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতি বন্ধ করে রাখুন। টেলিভিশন থেকে শুরু করে কম্পিউটার- যতক্ষণ যন্ত্রটি প্রয়োজন হচ্ছে, কেবল ততক্ষণই ব্যবহার করুন। এই যন্ত্র গুলো ঘরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়। একবার বন্ধ করেই দেখুন, চমৎকার ঠাণ্ডা হয়ে গেছে ঘর।

১১) দিনের যে সময়টা সব চাইতে বেশী গরম থাকে, তখন চুলার কাজ না করাই ভালো। তাতে বাড়ি আরও গরম হয়ে ওঠে। সম্ভব হলে রান্নাঘরের উপযোগী ফ্যান লাগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করুন, আরাম মিলবে।

১২) আমরা অনেকেই পানি ফুটিয়ে খাই। নিজেই লক্ষ্য করবেন যে এই ফুটানোর সময় কি ভয়াবহ গরম হয়ে ওঠে ঘরদোর। সম্ভব হলে ফিল্টার ব্যবহার করুন। সেটা সম্ভব না হলে সন্ধ্যার পর পানি ফুটান। গরম কম লাগবে।

১৩) প্রয়োজনের অতিরিক্ত আলো জ্বালাবেন না। বাড়তি আলো কয়েক ডিগ্রি পর্যন্ত তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়।

Posted by on

বাড়িভাড়া নিয়ে সমস্যা? জেনে নিন আইন আপনাকে কি অধিকার দিয়েছে

বাংলাদেশের বেশির ভাগ মানুষ ভাড়া বাসায় থাকেন। আর ভাড়া ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে বাড়ির মালিকের সাথে দ্বন্দ্বের বিষয়টি নতুন নয়। অনেক ক্ষেত্রেই বাড়ি ভাড়া বাড়ানো হয় অযৌক্তিকভাবে। থাকতেই হবে সেজন্য ভাড়াটেরা বাধ্য হয়ে বর্ধিত ভাড়া দিয়ে যান। অথচ আমাদের দেশে বাড়ি ভাড়া সংক্রান্ত একটি আইন রয়েছে যেটা প্রায় কেউই জানেন না।

ঘটনা

জুয়েল ও রনি (ছদ্মনাম) দুই বন্ধু। যারা দুজনই চাকরিজীবী। তারা যে বাসায় উঠে সেটার জন্য তাদেরকে দুই মাসের অগ্রিম ভাড়া দিতে হয় ও বলা হয় বাসা ছেড়ে দেয়ার দুই মাস আগে মালিককে জানাতে হবে, নয়তো তারা অগ্রিম ভাড়ার টাকা ফেরত পাবেন না। এরকম মৌখিক শর্তে তারা রাজি হয়। কিন্তু বাসায় উঠেই তারা দেখলো যে দিনে মাত্র ১ ঘন্টা পানি দেয়া হয়, সেটাও অনিয়মিত। বাথরুমে কোন ধরণের ফিটিংস লাগানো নেই ও বৈদ্যুতিক বাতির সুইচবোর্ডগুলোর অবস্থাও করুণ। মালিককে কিছু বললে মালিক পালটা হুমকি দেন, বাড়ি ছেড়ে দিতে। নিরুপায় হয়ে থাকতে বাধ্য হয় দুই বন্ধু।

চলুন জানা যাক আইন কি বলে।

বাড়িভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন–১৯৯১ এর প্রয়োজনীয় অংশ

অগ্রিম ভাড়া

বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৯১-এর ১০ ও ২৩ ধারা মোতাবেক বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রকের লিখিত আদেশ ছাড়া অন্য কোনোভাবেই বাড়ি মালিক তার ভাড়াটিয়ার কাছ থেকে অগ্রিম বাবদ এক মাসের বাড়ি ভাড়ার অধিক কোনো প্রকার ভাড়া, জামানত, প্রিমিয়াম বা সেলামি গ্রহণ করতে পারবেন না। তা হলে দণ্ডবিধি ২৩ ধারা মোতাবেক তিনি দণ্ডিত হবেন।

ভাড়ার রসিদ

আপনার পরিশোধকৃত বাড়ি ভাড়ার রসিদ সংশ্লিষ্ট বাড়ির মালিক বা তার প্রতিনিধি দিতে বাধ্য।

ভাড়া বাড়ানো

বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৬ ধারায় স্পষ্ট করে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মানসম্মত ভাড়া কার্যকরী হবার তারিখ হতে দুই বছর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। দুই বছর পর মানসম্মত ভাড়ার পরিবর্তন করা যাবে। এই আইনের ৮ ধারা এবং ৯ ধারায় বর্ণিত রয়েছে যে, মানসম্মত ভাড়া অপেক্ষা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অধিক বাড়ি ভাড়া আদায় করলে সে ক্ষেত্রে প্রথমবারের অপরাধের জন্য মানসম্মত ভাড়ার অতিরিক্ত যে অর্থ আদায় করা হয়েছে তার দ্বিগুণ অর্থদণ্ডে বাড়ি মালিক দণ্ডিত হবেন এবং পরবর্তী প্রত্যেক অপরাধের জন্য এক মাসের অতিরিক্ত যে ভাড়া গ্রহণ করা হয়েছে তার তিনগুণ পর্যন্ত অর্থদণ্ডে বাড়ি মালিক দণ্ডিত হবেন।

মানসম্মত ভাড়া নির্ধারণ

মানসম্মত ভাড়া সম্পর্কে আইনের ১৫ (১) ধারায় বলা হয়েছে, ভাড়ার বার্ষিক পরিমাণ সংশ্লিষ্ট বাড়ির বাজার মূল্যের শতকরা ১৫ ভাগের বেশি হবে না। বাড়ির বাজার মূল্য নির্ধারণ করার পদ্ধতিও বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা, ১৯৬৪ তে স্পষ্ট করা আছে।

বাস উপযোগী বাসস্থান

বাড়ি মালিক তার বাড়িটি বসবাসের উপযোগী করে রাখতে আইনত বাধ্য। বাড়ির মালিক ইচ্ছা করলেই ভাড়াটিয়াকে বসবাসের অনুপযোগী বা অযোগ্য অবস্থায় রাখতে পারেন না। স্বাস্থ্যসম্মতভাবে বসবাসের উপযোগী করে বাড়িটি প্রস্তুত রাখতে বাড়ির মালিকের উপর এই বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইনের ২১নং ধারায় বাধ্যবাধকতা আরোপ করেছে। অর্থাৎ ভাড়াটিয়াকে পানি সরবরাহ, বিদ্যুৎ সরবরাহ, পয়ঃপ্রণালী নিষ্কাশন ইত্যাদি সুবিধা প্রদান করতে হবে। এমনকি প্রয়োজনবোধে লিফটের সুবিধাও দিতে হবে। কিন্তু উক্তরূপ সুবিধা প্রদানে বাড়ি মালিক অনীহা প্রকাশ করলে কিংবা বাড়িটি মেরামতের প্রয়োজন হলেও ভাড়াটিয়া নিয়ন্ত্রকের কাছে দরখাস্ত করতে পারবেন।

ভাড়া বাসা থেকে উচ্ছেদ

বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৮নং ধারায় উল্লেখ রয়েছে যে, ১৮৮২ সনের সম্পত্তি হস্তান্তর আইন বা ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের বিধানে যাই থাকুক না কেন, ভাড়াটিয়া যদি নিয়মিতভাবে ভাড়া পরিশোধ করতে থাকেন এবং বাড়ি ভাড়ার শর্তসমূহ মেনে চলেন তাহলে যতদিন ভাড়াটিয়া এভাবে করতে থাকবেন ততদিন পর্যন্ত উক্ত ভাড়াটিয়াকে উচ্ছেদ করা যাবে না। এমনকি ১৮(২) ধারা মতে বাড়ির মালিক পরিবর্তিত হলেও ভাড়াটিয়া যদি আইনসম্মত ভাড়া প্রদানে রাজি থাকেন তবে তাকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা যাবে না। চুক্তিপত্র না থাকলে যদি কোনো ভাড়াটে প্রতি মাসের ভাড়া পরবর্তী মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে পরিশোধ করেন, তাহলেও ভাড়াটেকে উচ্ছেদ করা যাবে না। যুক্তিসংগত কারণে ভাড়াটেকে উচ্ছেদ করতে চাইলে যদি মাসিক ভাড়ায় কেউ থাকে, সে ক্ষেত্রে ১৫ দিন আগে নোটিশ দিতে হবে। চুক্তি যদি বার্ষিক ইজারা হয় বা শিল্পকারখানা হয়, তবে ছয় মাস আগে নোটিশ দিতে হবে।

ভাড়া বাবদ ভাড়াটিয়ার আসবাবপত্র ক্রয়

আইনের ১২ নং ধারায় বলা হয়েছে, কোনো বাড়ি ভাড়ার জন্য বা তার নবায়ন বা মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য কোনো ব্যক্তি তার আসবাবপত্র ক্রয়ের কোনো শর্ত আরোপ করতে পারবেন না। অর্থাৎ কোনো বাড়ির মালিক তার বাড়ি ভাড়া বাবদ ভাড়াটিয়ার আসবাবপত্র ক্রয় করতে পারবেন না। তদুপরি ভাড়া নবায়ন কিংবা মেয়াদ বৃদ্ধির শর্ত যদি বাড়ি ভাড়া চুক্তিতে থেকেও থাকে তা সত্ত্বেও ভাড়াটিয়া বাড়ি ভাড়া নবায়ন না করে, তাহলেও বাড়িওয়ালা ভাড়াটিয়ার আসবাবপত্র আটক বা ক্রয় করতে পারবেন না।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আইনের প্রয়োগ হবে না ভেবে বেশিরভাগ মানুষ এরকম হয়রানিগুলো মেনে নেন। তবে এক্ষেত্রে অভিজ্ঞ আইনজীবীদের মতামত হলো, প্রচলিত আইনের যথাযথ প্রয়োগ ও সবাই সচেতন হলে এ ধরণের সমস্যাগুলো থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

সুত্রঃ

Posted by on

রিয়েল এস্টেট হস্তান্তরে ডেভেলপারের ব্যর্থতার নীতিমালা

(১) চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ডেভেলপার রিয়েল এস্টেট হস্তান্তরে ব্যর্থ হইলে রিয়েল এস্টেট এর মূল্য বাবদ পরিশোধিত সমুদয় অর্থ চুক্তিতে নির্ধারিত পরিমাণ ক্ষতিপূরণসহ ৬ (ছয়) মাসের মধ্যে প্রাপকের হিসাবে প্রদেয় (account payee) চেকের মাধ্যমে ফেরৎ প্রদান করিবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, ক্রেতা ও ডেভেলপার যৌথ সম্মতিতে রিয়েল এস্টেট হস্তান্তরের সময়সীমা সম্পূরক চুক্তির মাধ্যমে বর্ধিত করিলে ক্রেতাকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করিতে হইবে।

(২) ক্ষতিপূরণের পরিমাণ বা হার পক্ষগণের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তিপত্রে উল্লেখ না থাকিলে পরিশোধিত সমুদয় অর্থের উপর ১৫% হারে ক্ষতিপূরণ নির্ধারিত হইবে এবং ডেভেলপার অনধিক ৬ (ছয়) মাসের মধ্যে অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) কিস্তিতে ক্ষতিপূরণের অর্থসহ সমুদয় অর্থ পরিশোধ করিবে।

(৩) ক্ষতিপূরণের সময় গণনার ক্ষেত্রে সমুদয় অর্থ পরিশোধের তারিখ পযর্ন্ত ক্ষতিপূরণ সময় গণনা করিতে হইবে।